সুখ কিন্তু একটা জায়গায় বসে থাকে না, মেঘের মতো এখান থেকে ওখানে ভেসে বেড়ায় তারা। সুখের আতিশয্য যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যায়—বৃষ্টি হয়ে সে নেমে আসে তোমার বুকে। অনেকে ভাবে — সেটাই বুঝি বিষাদ। সুখ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে, তুমি তার ছদ্মবেশ চিনে উঠতে পারলে কি না। তার প্রাচুর্যে, তার অভাবে — কোনটাতে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাও তুমি। হৃদয়ের তারগুলো কেমন করে বেজে উঠতে থাকে — সুখের সাথে তোমার মিলনে অথবা বিহনে। অভিমানে পাপ নেই কোনো, সে তোমাকে আদর করে বুকে ধরে রাখে। মাঝে মাঝে তুমি হেসে ওঠো, মাঝে মাঝে দু’চোখ ভেঙে বন্যা নামে। দু’টোই কিন্তু সুখের দু’টো রাগ, ভৈরবী আর ইমন কল্যাণ যেমন, দিনের আগমন আর প্রস্থানের সাথে সাথে। জন্মের ক্ষণে মায়ের চোখ ভিজে ওঠে সুখে, কৃতজ্ঞতায়; মৃত্যুর ক্ষণেও তাহলে হাসতে ভুলে যেও না, ক্ষণকালের বিষাদ থেকে বিদায় নিচ্ছ — অনন্তের সুখকে আঁকড়ে ধরবে বলে।
